জাল দলিলের অভিযোগে হালুয়াঘাট সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয় নিয়ে প্রশ্ন

Teal Corporate Business Conference Zoom Virtual Background_20260225_183350_0000

মাহমুদুল হাসান আপেল,  হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ):

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় জাল দলিলের মাধ্যমে জমির নামখারিজ খতিয়ান খোলা এবং পরবর্তীতে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দলিল লেখক ও সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, দলিল নং ৬৮৩২, তারিখ ১৫ মে ১৯৮৫ ইং এর ভিত্তিতে মনিকুড়া মৌজার ৩৫৪৯ নম্বর দাগে ১৭ শতাংশ জমির নামখারিজ খতিয়ান ২০২৩ সালে খোলা হয়। পরে ওই নামখারিজ খতিয়ান ও সংশ্লিষ্ট দলিলের ভিত্তিতে জমিটি পুনরায় রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করা হয়।

তবে সরেজমিন অনুসন্ধানে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ৬৮৩২ নম্বর মূল দলিলটি ১৭ অক্টোবর ১৯৮৫ ইং তারিখে রেজিস্ট্রি করা হয়। এছাড়া উক্ত সাফ কাওলা দলিলে মৌজা হিসেবে খয়রাকুড়ি উল্লেখ রয়েছে এবং দাগ নম্বর ৪৪৫ ও ৪৬৯-এ মোট জমির পরিমাণ ২৫ শতাংশ। ফলে মনিকুড়া মৌজার ৩৫৪৯ নম্বর দাগে ১৭ শতাংশ জমির সঙ্গে দলিলটির তথ্যগত অসামঞ্জস্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি ২০২৩ সালে এখানে কর্মরত ছিলাম না, তাই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই।” পরে তিনি সংশ্লিষ্ট দলিল লেখক দেলোয়ার হোসেন কাঞ্চনকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় দলিল লেখক বলেন, “মূল দলিল জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে সংরক্ষিত থাকে। আমাদের কাছে যে কাগজপত্র দেওয়া হয়, তার ভিত্তিতেই কাজ করি। প্রতিটি দলিল যাচাই করতে গেলে অতিরিক্ত ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগবে।”

এ ঘটনায় প্রকৃত তথ্য উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।


Comment As:

Comment (0)


Your application license has expired!
Contact bdtask.com