- রিপোর্টারঃ desk report
- প্রকাশ: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি , ২০২৬
মুক্তাগাছায় জুয়ার আসরে অভিযান, বিএনপির কথিত নেতাসহ আটক ৬
ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে বিএনপির কথিত এক নেতাসহ মোট ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে শফিকুল ইসলাম শফিক (৪৫) নামের একজনকে জুয়ার আসর থেকে আটক করে। তিনি উপজেলার মানকোন ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সদস্য এবং একই ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী বলে জানা গেছে।
এ সময় তার সঙ্গে আরও আটক হন সুরুজ আলী (৪০), রফিকুল ইসলাম (২৭), শাহজাহান (৫০), সফুর উদ্দিন (৩৫) ও হাবিবুর রহমান (৪৫)। তাদের সবার বাড়ি মুক্তাগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
পুলিশ জানায়, এসআই মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে অভিযান চালায়। পরে মানকোন করমোল্লাপুর এলাকার সাজ্জাদ মিয়ার বাগানবাড়িতে পৌঁছালে জুয়ারীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত এক বান্ডিল ৫২টি তাস, একটি প্লাস্টিকের চট এবং নগদ ৮৩০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে আসামিদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, বিএনপির দলীয় পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে শফিকুল ইসলাম শফিক তার ও তার ছোট ভাই মনিরুল ইসলাম এর ফিসারির ঘরে জুয়ার আসর পরিচালনা করে আসছিলেন। এর আগে স্থানীয় যুবকরা তাকে এ বিষয়ে সতর্কও করেছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান রতন বলেন, “এই নামে আমি কাউকে চিনি না। তবে যদি কোন কমিটিতে থাকেন, তাহলে দলীয়ভাবে তাকে বহিষ্কার করা হবে। দলের পরিচয় দিয়ে কেউ মাফ পাবে না।
মুক্তাগাছা থানার ওসি (তদন্ত) জুলুস খান জানান, আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদের পেশাদার জুয়া খেলোয়াড় বলে স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য জুয়া আইনের মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

