- রিপোর্টারঃ desk report
- প্রকাশ: শনিবার, ২১ মার্চ , ২০২৬
ময়মনসিংহের অষ্টধার ইউনিয়নে আজ যা ঘটছে, তা দেখে নিজেকে এই সমাজের অংশ ভাবতে ঘেন্না হচ্ছে! আমাদের সমাজ কতটা অপদার্থ আর মেরুদণ্ডহীন হলে, ৭ বছরের একটা অবুঝ শিশুকে ধর্ষণের মতো পৈশাচিক ঘটনার পরও একদল দালালের বাচ্চা বুক ফুলিয়ে অপরাধীকে মদদ দিতে পারে?
বুক ফেটে যায় যখন শুনি, কেউ কেউ বড় গলায় বলছে—"বাচ্চাটাকে তো আর পুরোপুরি ধর্ষণ করেনি, বেঁচে তো গেছে!" আপনাদের এই নোংরা মানসিকতায় থুথু দিই। ধর্ষণের মাত্রা কম হোক বা বেশি, ধর্ষণ তো ধর্ষণই! একটা মানুষরূপী জানোয়ার যখন খারাপ নজরে তাকিয়েছে, তখন থেকেই তার কাছে ওই শিশুটি, কিংবা আপনাদের ঘরের শিশুটিও আর নিরাপদ নয়।
একটু ভেবে দেখুন, এই বাচ্চাটাই দুদিন আগে তাকে ‘দাদা’ বলে আপন মনে কোলে উঠত, দুই টাকার বায়না করত। কিন্তু সেই ‘দাদা’ নামের জানোয়ারটা সামান্য গেন্ডারি (আখ) খাওয়ার লোভ দেখিয়ে দুটো অবুঝ শিশুকে নিজের শিকার বানানোর জন্য নিয়ে গেল! ওদের বয়স মাত্র ৭-৮ বছর। ওদের কি বোঝার মতো বয়স হয়েছে? ওরা যদি জানত এই দাদাই তাদের শরীর ছিঁড়ে খাওয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছে, তবে কি ওরা যেত?
আমি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লিখছি বলে অনেকেই আমাকে আড়ালে বাহবা দিচ্ছেন। ভাই, আমার আপনাদের বাহবার কোনো প্রয়োজন নেই! আপনাদের বাহবা দিয়ে আমি কী করব, যদি আপনারা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটা শব্দও উচ্চারণ করতে না পারেন? এর আগেও এমন সত্য তুলে ধরতে গিয়ে আমি হামলার শিকার হয়েছি, আমাকে আজও হুমকি দেওয়া হচ্ছে এই বিষয়ে না লেখার জন্য।
কিন্তু কান খুলে শুনে রাখুন দালালের দল—আমি ভয় পাই না! I don't care! আমি প্রতিবাদ করেই যাবো, আমার কলম চলবেই। আজ এই অবুঝ শিশুটির সাথে যা হয়েছে, কাল আপনার ঘরের কারো সাথে হলে সেদিন বুঝবেন এই দালালি আর নীরবতার মূল্য কত ভয়ংকর!
এই নরপশু আর তার মদদদাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমি থামব না। সমাজ যদি চুপ থাকে, তবে আমার একার আওয়াজই এই পঁচা সমাজকে কাঁপিয়ে দেবে ইনশাআল্লাহ! ✊
লিখেছে: ফরহাদ হোসেন মায়া

