Dailyreport Live
Dailyreport Live
Tuesday, 21 Apr 2026 18:00 pm
Dailyreport Live

Dailyreport Live

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। সরকারি চাকরি সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য উপস্থাপনে অসঙ্গতি এবং আইনি জটিলতার কারণে বুধবার (২২ এপ্রিল) যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বাকি ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রমে এই সিদ্ধান্ত আসে। রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা শারমিনকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আপনি কাল দুপুর ১২টার মধ্যে কাগজপত্র জমা দেবেন, এরপর সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।”

মনিরা শারমিন রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। নথি অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চাকরি ছাড়েন। কিন্তু গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের চাকরি ছাড়ার তিন বছরের মধ্যে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়া যায় না। এ কারণে তার প্রার্থিতা নিয়ে আইনি প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাকরি ছাড়ার মাত্র চার মাসের মাথায় মনোনয়ন দাখিল করায় বিধি লঙ্ঘনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আইনজ্ঞদের মতে, আরপিওর এই বিধান সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। ফলে চূড়ান্ত যাচাইয়ে তার মনোনয়ন বাতিলও হতে পারে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, “আরপিওর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

এদিকে জোটের পক্ষ থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে যে মনোনয়ন বাতিল হবে না। তবে মনিরা শারমিন নিজেই দাবি করেছেন, কৃষি ব্যাংকের পদটি সরাসরি রাষ্ট্রীয় লাভজনক পদ নয় এবং এটি সরাসরি নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং দলীয় মনোনয়ন। তার এই যুক্তি কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, তা নির্ভর করছে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।

সংরক্ষিত নারী আসনে এবার বিরোধী জোটের ভাগে রয়েছে ১৩টি আসন। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর আটজন, এনসিপির দুইজন এবং অন্যান্য শরিক দলগুলোর কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন। যদি মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল হয়, তবে জোটের একটি আসন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

Your application license has expired!
Contact bdtask.com